দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অপব্যবহার করে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি ইন্টারনেটে একটি এডিট করা নির্বাচনী ফেস্টুনের ছবি ভাইরাল হয়, যেখানে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ মামলার এক অভিযুক্তের ছবি প্রতিমন্ত্রীর ফেস্টুনে যুক্ত করা হয়েছে।
স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের দাবি, রাজনৈতিকভাবে বিভ্রান্তি ও সামাজিক ক্ষোভ তৈরির উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এ ছবি ছড়ানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভাইরাল হওয়া ছবিতে আমিনুল হকের নির্বাচনী প্রচারণার মূল ফেস্টুনকে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিবর্তন করে অভিযুক্তের ছবি বসানো হয়েছে। তবে সরেজমিনে পল্লবীসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় গিয়ে এমন কোনো ফেস্টুন বা ব্যানারের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও নোংরা অপপ্রচার। একটি কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে প্রতিমন্ত্রীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।
পল্লবী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজন কর্মী ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর জানান, সেখানে বিতর্কিত কোনো ফেস্টুন বা পোস্টার পাওয়া যায়নি। এটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও এডিট করা ছবি।
এ বিষয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘এসব প্রচারণা সম্পূর্ণ বানোয়াট, ভিত্তিহীন এবং সস্তা এডিটিং। আমার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টায় এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই জঘন্য মিথ্যাচার চালানো হচ্ছে। সচেতন জনগণ কখনোই এ ধরনের গুজবে কান দেবে না।’
রাজনৈতিক ও প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে ভুয়া ছবি ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে চরিত্রহননের প্রবণতা নতুন ধরনের সাইবার ঝুঁকি তৈরি করছে। এ ধরনের অপপ্রচার ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদেরও সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এমএস/